এই সময় ডেস্ক :
প্রখ্যাত সাংবাদিক ও প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)-এর মহাপরিচালক শাহ আলমগীর চলে গেছেন না ফেরার দেশে। (ইন্নালিল্লাহ.......... রাজিউন)। সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ)-এর নিবিড় চর্চাকেন্দ্র (আইসিইউ)তে চিকিৎসা চলাকালে তাঁর মৃত্যু হয় বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায়।
তিনি ২১ ফেব্রæয়ারি রাতে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে সিএমএইচ-এ ভর্তি করা হয়। পরিস্থিতির অবনতি দেখা গেলে পরদিনই তাঁক আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।
এই প্রথিতযশা সাংবাদিকের কর্মজীবন শুরু হয় উপমহাদেশের প্রথম শিশু-কিশোর পত্রিকা সাপ্তাহিক ‘কিশোর বাংলা’ পত্রিকায় যোগদানের মাধ্যমে। ১৯৮০ সাল থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত তিনি এ পত্রিকার সহ-সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি দৈনিক জনতা, বালার বাণী, আজাদ ও সংবাদ পত্রিকায় কাজ করেন। প্রথম আলো পত্রিকা প্রকাশের সময় (১৯৯৮) থেকে ২০০১ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি যুগ্ম-বার্তা সম্পাদক হিসিবে তিনি পত্রিকাটির সাথে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি একুশে টেলিভিশনে হেড অব নিউজ, মাছরাঙা টেলিভিশনে বর্তা প্রধান, যমুনু টেলিভিশনে বার্তা বিভাগীয় পরিচালক এবং চ্যানেল আই-এর প্রধান বার্তা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
সাংবাদিক শাহ আলমগীর ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন কিছুকাল। তাঁর পেশাদারী কৃতীত্বের জন্য একাধিক পুরস্কারও পেয়েছেন তিনি।
ব্রহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে তাঁর পৈত্রিক নিবাস হলেও তাঁর বাবার চকরির কারণে জীবনের বেশিলভাগ সময় কাটে ময়মনসিংহে। তিনি ময়মনসিংহের গৌরিপুর করেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাশের পর ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে বাংলা সাহিত্যে মাস্টার্স ও অনার্স পাশ করেন।
সাংবাদিক শাহ আলমগীরের পরিবারে বর্তমান রয়েছেন স্ত্রী ফৌজিয়া বেগম, ছেলে আশিকুল আলম ও মেয়ে অর্চি অনন্যা।
তথ্যসূত্র : প্রথম আলো

Comments
Post a Comment