আন্তর্জাতিক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক, এই সময় :
হিন্দু ধর্ম ও হিন্দুদের সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করার কারণে পাবিস্তানের তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ফয়জুল হাসান চৌহানকে বরখাস্ত করা হয়েছে গতকাল মঙ্গলবার। পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন দল তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)-এর গুরুত্বপূর্ণ নেতা এই চৌহান।দলের পক্ষ থেকে এক টুইট বার্তায় জানানো হয় ফয়জুল হাসান চৌহান গত মঙ্গলবার পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ওসমান বুজদারের কাছে তিনি ইস্তফাপত্র জমা দেন।
ভারতশাসিত জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামায় হামলার পর ভারত যে বিবৃতি দিয়েছিল, তার জবাবে চৌহান হিন্দুদের সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করেন। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানও এ বক্তব্যকে মেনে নিতে পারেন নি। চৌহানের পদত্যাগের আগে ইমরান খানের বিশেষ সহকারী নাইমুল হক এক টুইট বার্তায় জানান ‘আমাদের দল এই ধরনের মন্তব্য বরদাশত করবে না।’
পাকিস্তানের ডন অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়, চৌহান জানিয়েছেন তার এ বক্তব্য কেবল ভারতের হিন্দুদেরকে উদ্দেশ্য করে। কিন্তু ওই বক্তব্য সোসাল মিডিয়ায় ভাইরারল হয়ে যাওয়ার কারণে সমালোচনার ঝড় ওঠে। তাঁকে বরখাস্ত করার দাবি ওঠে মুখে মুখে। এতে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে তাঁকে বরখাস্ত করা হয়।
এ ঘটনায় ভারত ও পাকিস্তানের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা তেহরিক-ই-ইনসাফ দলের প্রশংসা করেন।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক, এই সময় :হিন্দু ধর্ম ও হিন্দুদের সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করার কারণে পাবিস্তানের তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ফয়জুল হাসান চৌহানকে বরখাস্ত করা হয়েছে গতকাল মঙ্গলবার। পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন দল তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)-এর গুরুত্বপূর্ণ নেতা এই চৌহান।দলের পক্ষ থেকে এক টুইট বার্তায় জানানো হয় ফয়জুল হাসান চৌহান গত মঙ্গলবার পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ওসমান বুজদারের কাছে তিনি ইস্তফাপত্র জমা দেন।
ভারতশাসিত জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামায় হামলার পর ভারত যে বিবৃতি দিয়েছিল, তার জবাবে চৌহান হিন্দুদের সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করেন। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানও এ বক্তব্যকে মেনে নিতে পারেন নি। চৌহানের পদত্যাগের আগে ইমরান খানের বিশেষ সহকারী নাইমুল হক এক টুইট বার্তায় জানান ‘আমাদের দল এই ধরনের মন্তব্য বরদাশত করবে না।’
পাকিস্তানের ডন অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়, চৌহান জানিয়েছেন তার এ বক্তব্য কেবল ভারতের হিন্দুদেরকে উদ্দেশ্য করে। কিন্তু ওই বক্তব্য সোসাল মিডিয়ায় ভাইরারল হয়ে যাওয়ার কারণে সমালোচনার ঝড় ওঠে। তাঁকে বরখাস্ত করার দাবি ওঠে মুখে মুখে। এতে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে তাঁকে বরখাস্ত করা হয়।
এ ঘটনায় ভারত ও পাকিস্তানের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা তেহরিক-ই-ইনসাফ দলের প্রশংসা করেন।
তথ্যসূত্র : প্রথম আলো
Comments
Post a Comment