দেশের খবর
![]() |
| আহত নাইমুজ্জামান হৃদয় |
স্টাফ রিপোর্টার :
উপজেলা নির্বাচনের সহিংসতার শিকার হয়েছেন উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী নাইমুজ্জামান হৃদয়। তিনি মাগুরা জেলার শ্রীপুরের নাকোল গ্রামের মির্জা মিজানুর রহমান নওরোজের ছেলে। পিতা মিজানুর রহমান নওরোজ নাকোল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদকের দায়িত্বে আছেন।
আহত নাইমুজ্জামান হৃদয় ফরিদপুরের কামারখালী বীর শ্রেষ্ঠ আব্দুর রউফ ডিগ্রি কলেজের ছাত্র। তিনি পড়াশোনায়ও বেশ ভাল। এ কলেজ থেকে তার এ বছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দেয়ার কথা।
গত ২৫ মার্চ দুপুরে নাকোল বাজারে কতিপয় সন্ত্রাসী যুবক ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে জখম করে। তিনি এখন ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে তিনি এ বছর পরীক্ষা দিতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকগণ।
ঘটনা সূত্রে জানা যায়, শ্রীপুর উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ছিলেন পংকজ কুমার সাহা। অন্যদিকে বিদ্রোহী প্রার্থী ছিলেন মাহমুদুল গণি শাহিন। আহত হৃদয়ের বাবা ছিলেন পংকজ কুমার সাহার সমর্থক। বিদ্রোহী প্রার্থী মাহমুদুল গণির সমর্থক ছিলেন নাকোল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শাহজাহান মিয়া।
গত ২৪ মার্চ অনুষ্ঠিত উপজেলা নির্বাচন চলাকালীন সময় নৌকা প্রতীকের এজেন্টদের বের করে দেয় শাহজাহান মিয়া। এ সময়ে মিজানুর রহমান তার প্রতিবাদ করলে তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরদিন ২৫ মার্চ শাহজাহান মিয়া তার দলবল নিয়ে অস্ত্রসহ মোহড়া দেয় নাকোল বাজারে। প্রতিপক্ষ আর কাউকে না পেয়ে মিজানুর রহমানের ছেলে নাইমুজ্জামান হৃদয়কে একা পেয়ে কুপিয়ে জখম করে।
হৃদয়কে আহত অবস্থায় মাগুরা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় প্রথমে। পরে তার অবস্থার অবনতি দেখা দিলে চিকিৎসকদের পরামর্শে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে শাহজাহান মিয়া বলেন, মিজানুর রহমান নওরোজের ছেলের সাথে ইভটিজিং জনিত একটি বিষয় নিয়ে স্থানীয় কিছু যুবকের দ্বন্দ ছিল। এ ঘটনার সাথে তার কোন সম্পৃক্ততা নেই। রাজনৈতিক বিরোধ থাকার কারণে মিজানুর রহমান তাকে জড়িয়ে নেয়ার চেষ্টা করছেন বলে মন্তব্য করেছেন।
মাগুরা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে মিন্টু সিকদার নামে ১ যুবককে ধারালো অস্ত্রসহ আটক করেছে। এ ব্যাপারে হৃদয়ের বাবা মিজানুর রহমান শাহজাহান মিয়াসহ ১২ জনের নামে মামলা করেছেন।
উপজেলা নির্বাচনের সহিংসতার শিকার হয়েছেন উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী নাইমুজ্জামান হৃদয়। তিনি মাগুরা জেলার শ্রীপুরের নাকোল গ্রামের মির্জা মিজানুর রহমান নওরোজের ছেলে। পিতা মিজানুর রহমান নওরোজ নাকোল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদকের দায়িত্বে আছেন।
আহত নাইমুজ্জামান হৃদয় ফরিদপুরের কামারখালী বীর শ্রেষ্ঠ আব্দুর রউফ ডিগ্রি কলেজের ছাত্র। তিনি পড়াশোনায়ও বেশ ভাল। এ কলেজ থেকে তার এ বছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দেয়ার কথা।
গত ২৫ মার্চ দুপুরে নাকোল বাজারে কতিপয় সন্ত্রাসী যুবক ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে জখম করে। তিনি এখন ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে তিনি এ বছর পরীক্ষা দিতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকগণ।
ঘটনা সূত্রে জানা যায়, শ্রীপুর উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ছিলেন পংকজ কুমার সাহা। অন্যদিকে বিদ্রোহী প্রার্থী ছিলেন মাহমুদুল গণি শাহিন। আহত হৃদয়ের বাবা ছিলেন পংকজ কুমার সাহার সমর্থক। বিদ্রোহী প্রার্থী মাহমুদুল গণির সমর্থক ছিলেন নাকোল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শাহজাহান মিয়া।
গত ২৪ মার্চ অনুষ্ঠিত উপজেলা নির্বাচন চলাকালীন সময় নৌকা প্রতীকের এজেন্টদের বের করে দেয় শাহজাহান মিয়া। এ সময়ে মিজানুর রহমান তার প্রতিবাদ করলে তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরদিন ২৫ মার্চ শাহজাহান মিয়া তার দলবল নিয়ে অস্ত্রসহ মোহড়া দেয় নাকোল বাজারে। প্রতিপক্ষ আর কাউকে না পেয়ে মিজানুর রহমানের ছেলে নাইমুজ্জামান হৃদয়কে একা পেয়ে কুপিয়ে জখম করে।
হৃদয়কে আহত অবস্থায় মাগুরা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় প্রথমে। পরে তার অবস্থার অবনতি দেখা দিলে চিকিৎসকদের পরামর্শে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে শাহজাহান মিয়া বলেন, মিজানুর রহমান নওরোজের ছেলের সাথে ইভটিজিং জনিত একটি বিষয় নিয়ে স্থানীয় কিছু যুবকের দ্বন্দ ছিল। এ ঘটনার সাথে তার কোন সম্পৃক্ততা নেই। রাজনৈতিক বিরোধ থাকার কারণে মিজানুর রহমান তাকে জড়িয়ে নেয়ার চেষ্টা করছেন বলে মন্তব্য করেছেন।
মাগুরা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে মিন্টু সিকদার নামে ১ যুবককে ধারালো অস্ত্রসহ আটক করেছে। এ ব্যাপারে হৃদয়ের বাবা মিজানুর রহমান শাহজাহান মিয়াসহ ১২ জনের নামে মামলা করেছেন।

Comments
Post a Comment