সাহিত্য
কবি পরিচিতি :
কবি হিমাংশু দেব বর্মণ একজন পেশাগত জীবনে একজন সাংবাদিক। দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও সাপ্তাহিকে কলাম লেখেন। মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলায় তার জন্ম ১৯৭৭ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর।
কবিতাগুচ্ছ:
১। সেতুবন্ধন
গোড়াখালের সাঁকোটা যেদিন ভেঙে গেল
বিবর্তন ভুলে কাঁদতে বসেছিলে তুমি
সভ্যতা বুঝি এখানেই শেষ হয়ে গেল!
কেউ যা ভাবেনি কখনো তুমি তার
স্বপ্ন দেখিয়েছিলে কান্নার জলে
আবার সাঁকো বাঁধলো জমির খাঁ।
মাঝবিলে খালের পাড় বাঁধা হলো
তোমার সমস্ত পতিত জমি হলো আবাদী
আমি তার একান্ত চাষি।
ক্ষেত বুনি ফসল ফলাই গড়ে তুলি সেতু
খালের বাঁকে বাঁকে নদীর মোহনায়
তোমার কান্না শুনি রোজ।
একবার তোমার কামুক ঠোঁট দিয়ে চেটে নাও
আমার ঠোঁটে মেখে থাকা পাপগুলো
দেখে নিও একদিন সাগরেও সেতুবন্ধন হবে।
২। এখানেই সখ্য
সেদিন আমার সাথে কেউ ছিল না
গন্তব্য ছিল ভরপুর বিশ^ ব্রহ্মাÐ।
তোমার সাথে দেখা হওয়ার কথাটি
ছিল আমাদের অজানা।
সেদিন ভাবিওনি এমন এক
আবহমান যুদ্ধক্ষেত্রে আমাদের দেখা হবে
জীবনটা হবে চলমান যুদ্ধক্ষেত্র।
পরাবাস্তব মেনে নিয়ে যুদ্ধ করে যাচ্ছি তো যাচ্ছিই।
তোমার দেয়া কোনো আঘাতই আর
আঘাত বলে মনে হয় না।
যুদ্ধ শেষে হবে আমাদের সব শর্তের অবসান
শুধু জেগে থাকবে জোড়াঠোঁটের কম্পিত চুম্বন।
৩। তুমি আমার প্রথমা নও
এসো, দুটো সত্যি কথা বলি
তুমি আমার প্রথমা নও-
দ্বিতীয়া, তৃতীয়া বা তারও পরতমা।
জানি তোমারটা বলবে না
এক তসলিমা ছাড়া আজও
এটা স্বীকার করেনি কোনো মেয়ে।
দ্রৌপদীও এক স্বামীর কথা বলেনি
অন্য স্বামীকে; কার পৌরুষে
তার নারীত্ব কতটা পুণ্যবতী!
তোমারটা বাকিই রেখে দিলে
‘আয় আয় চাঁদ মামা’ বলে
ঘুমপাড়িয়ে রাখলে তোমার নিরেট সত্যি!
৪। নাবালিকা জৌলুস
কষ্টের সিঁড়িগুলো ভাঙতে ভাঙতে
অতি ক্লান্ত হয়ে পড়েছি প্রান্তিকা-
বিশ্বাসের সারথী রথের চাকা ঠেলে
আর পাহাড় ডিঙাতে বলো না।
কোনো আগুন আর পোড়াতে চায় না
দহনকালের মধ্যদুপুরে অখণ্ড প্রস্তরে
ভুল দিয়ে গেঁথে রাখা সব অট্টালিকার
নাবালিকা জৌলুসে মাতাল করো না।
আমার ঘুম ভরা চোখ হেঁটে যায়
তোমার নীরব রাতের সব অলি-গলি
স্বপ্নভাঙা হয় শুধু অবিরত নিশাচর
আমারে ডেকে যায় সেই হাতছানি।
৫। ছুঁয়ে দেখো
ইচ্ছেমতো বাতাস খেলে যায়
তোমার এলোচুল শাড়ীর আঁচল নিয়ে
কখনো শুনিনি; বলেছ খেলো না।
আর আমি একটু ছুঁতে গেলেই-
দুমড়ে মুচড়ে কুকড়ে যাও
এ-ই না!
বাপরে কত কারিশমা
সুযোগ বুঝে আকাশও মাটির ঘ্রাণ চেখে নেয়
ঘাসফুলের গন্ধ জানে ঘাসফড়িং-এর ডানা।
এক যন্ত্রণাযুগ অপেক্ষায় থেকেও
ওই মুখে আজও শুনতে পাইনি
একটু ছুঁয়ে দেখো।
গোড়াখালের সাঁকোটা যেদিন ভেঙে গেল
বিবর্তন ভুলে কাঁদতে বসেছিলে তুমি
সভ্যতা বুঝি এখানেই শেষ হয়ে গেল!
কেউ যা ভাবেনি কখনো তুমি তার
স্বপ্ন দেখিয়েছিলে কান্নার জলে
আবার সাঁকো বাঁধলো জমির খাঁ।
মাঝবিলে খালের পাড় বাঁধা হলো
তোমার সমস্ত পতিত জমি হলো আবাদী
আমি তার একান্ত চাষি।
ক্ষেত বুনি ফসল ফলাই গড়ে তুলি সেতু
খালের বাঁকে বাঁকে নদীর মোহনায়
তোমার কান্না শুনি রোজ।
একবার তোমার কামুক ঠোঁট দিয়ে চেটে নাও
আমার ঠোঁটে মেখে থাকা পাপগুলো
দেখে নিও একদিন সাগরেও সেতুবন্ধন হবে।
২। এখানেই সখ্য
সেদিন আমার সাথে কেউ ছিল না
গন্তব্য ছিল ভরপুর বিশ^ ব্রহ্মাÐ।
তোমার সাথে দেখা হওয়ার কথাটি
ছিল আমাদের অজানা।
সেদিন ভাবিওনি এমন এক
আবহমান যুদ্ধক্ষেত্রে আমাদের দেখা হবে
জীবনটা হবে চলমান যুদ্ধক্ষেত্র।
পরাবাস্তব মেনে নিয়ে যুদ্ধ করে যাচ্ছি তো যাচ্ছিই।
তোমার দেয়া কোনো আঘাতই আর
আঘাত বলে মনে হয় না।
যুদ্ধ শেষে হবে আমাদের সব শর্তের অবসান
শুধু জেগে থাকবে জোড়াঠোঁটের কম্পিত চুম্বন।
৩। তুমি আমার প্রথমা নও
এসো, দুটো সত্যি কথা বলি
তুমি আমার প্রথমা নও-
দ্বিতীয়া, তৃতীয়া বা তারও পরতমা।
জানি তোমারটা বলবে না
এক তসলিমা ছাড়া আজও
এটা স্বীকার করেনি কোনো মেয়ে।
দ্রৌপদীও এক স্বামীর কথা বলেনি
অন্য স্বামীকে; কার পৌরুষে
তার নারীত্ব কতটা পুণ্যবতী!
তোমারটা বাকিই রেখে দিলে
‘আয় আয় চাঁদ মামা’ বলে
ঘুমপাড়িয়ে রাখলে তোমার নিরেট সত্যি!
৪। নাবালিকা জৌলুস
কষ্টের সিঁড়িগুলো ভাঙতে ভাঙতে
অতি ক্লান্ত হয়ে পড়েছি প্রান্তিকা-
বিশ্বাসের সারথী রথের চাকা ঠেলে
আর পাহাড় ডিঙাতে বলো না।
কোনো আগুন আর পোড়াতে চায় না
দহনকালের মধ্যদুপুরে অখণ্ড প্রস্তরে
ভুল দিয়ে গেঁথে রাখা সব অট্টালিকার
নাবালিকা জৌলুসে মাতাল করো না।
আমার ঘুম ভরা চোখ হেঁটে যায়
তোমার নীরব রাতের সব অলি-গলি
স্বপ্নভাঙা হয় শুধু অবিরত নিশাচর
আমারে ডেকে যায় সেই হাতছানি।
৫। ছুঁয়ে দেখো
ইচ্ছেমতো বাতাস খেলে যায়
তোমার এলোচুল শাড়ীর আঁচল নিয়ে
কখনো শুনিনি; বলেছ খেলো না।
আর আমি একটু ছুঁতে গেলেই-
দুমড়ে মুচড়ে কুকড়ে যাও
এ-ই না!
বাপরে কত কারিশমা
সুযোগ বুঝে আকাশও মাটির ঘ্রাণ চেখে নেয়
ঘাসফুলের গন্ধ জানে ঘাসফড়িং-এর ডানা।
এক যন্ত্রণাযুগ অপেক্ষায় থেকেও
ওই মুখে আজও শুনতে পাইনি
একটু ছুঁয়ে দেখো।

Comments
Post a Comment