সোনার নীতি পরিবর্তনে চীনের অর্থনীতিতে নতুন চমক

অর্থনীতি

এই সময় ডেস্ক :
বিশ্বের অন্যতম অর্থনৈতিক পরাশক্তি চীনের নাগরিকদের সোনা কেনা নিষিদ্ধ ছিল। সোনার বাজারের একমাত্র ভোক্তা ছিল দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এছাড়া রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কয়েকটি কোম্পানি ছিল এর ভোক্তা। ২০০০ সালের শুরুতে সরকারি উদ্যোগে তুলে নেয়া হয় এই নিষেধাজ্ঞা। সোনা কেনা বেচার জন্য তৈরি হয় সাংহাই এক্সচেঞ্জ।
বর্তমানে বিশে^র সবচেয়ে বড় সোনা বেচাকেনার প্রতিষ্ঠান হচ্ছে সাংহাই এক্সচেঞ্জ। এখন বিনা অনুমতিতে যে কেউ ঢুকতে পারে এ বাজারে। ক্রেতা বিক্রেতার সরগমে ২০১৩ সালে চীনের এই প্রতিষ্ঠান বেশ রমরমা হয়ে ওঠে। পশ্চিম চীন থেকে সোনা গলিয়ে পাত তৈরি করে পূর্ব চীনে পাঠানো হতো। ওই সময় সবচেয়ে বেশি সোনা বেচাকেনা হয় বলে থমসন রয়টার্সের গবেষণা ইনস্টিটিউট জিএফএমএস বিশেষজ্ঞরা জানান।
কিভাবে সোনার চাহিদার ধরনের পরিবর্তন এসেছে তা তুলে ধরে সম্প্রতি দ্য ইকোনমিস্ট সাময়িকীতে চীনের এই সোনার বাজারের এক প্রতিবেন প্রকাশিত হয়েছে।
চীনে সোনার বাজার উন্মুক্ত করণের পর থেকেই সোনার চাহিদা ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ চাহিদার চেয়ে বেশি চীনের সোনার চাহিদা। ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিল প্রতিবেদনে বলা হয় বিশ্বের সবচেয়ে বড় সোনার গ্রাহক বিশ্ববাজারের ৩০ শতাংশ চাহিদাই চীনের।
তথ্যসূত্র : প্রথম আলো

Comments