বিজিএমইএ ভবন এখন নিজস্ব জমিতেই

দেশের খবর

হাতিরঝিলের বর্তমান বিজিএমইএ’র বর্তমান ভবন
এই সময় ডেস্ক :
বিজিএমইএ’র উত্তরার নতুন ভবন
রাজধানীর হাতিরঝিল প্রকল্পের ওপর নির্মিত পোশাকশিল্প ব্যাবসায়ী প্রতিষ্ঠান বিজিএমইএ ভবন। এ নিয়ে বিতর্ক চলে আসছে সেই শুরু থেকেই। দীর্ঘ বিতর্কের পর সেই ভবন থেকে অফিসিয়াল কাজকর্ম গুটিয়ে নিচ্ছে বিজিএমইএ প্রতিষ্ঠান।
উত্তরায় প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ১১০ কাঠা জমির ওপর ১৩ তলা একটি ভবন নির্মিত হয়েছে। সেখানেই বিজিএমইএ কার্যক্রম নতুন করে শুরু করতে যাচ্ছে। আগামী ৩ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করবেন নবনির্মিত এই ভবনটির।
জমির মালিকানা স্বত্বহীন, জলধারা আইন লঙ্ঘন করায় হাতিরঝিল প্রকল্প এলাকায় বর্তমান ভবনটি ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ভবনটি ছাড়তে হবে ১৩ এপ্রিলের মধ্যে।
বিজিএমইএ’র পক্ষ থেকে মিডিয়াকে জানানো হয়, আগামী ১২, ১৩, ১৪ এপ্রিল বর্তমান কার্যালয়ের জিনিসপত্র নতুন ভবনে স্থানান্তর করা হবে।
বিজিএমইএ’র উত্তরার এই নতুন ভবনে ২টি টাওয়ার হবে। কার্যালয়ের অভ্যন্তরের পরিমাপ থাকেছে ৪ লাখ ৬৪ হাজার বর্গফুট। তার মধ্যে নিজেদের কাজের জন্য থাকছে ৩ লাখ বর্গফুট। বাকি জমি থেকে কিছু অংশ বিক্রি করা হয়েছে ২৩টি প্রতিষ্ঠানের কাছে। এখনো ৫০ হাজার বর্গফুট জায়গা বিক্রির জন্য রয়েছে।
নতুন এই ভবনটিতে ৭৫০ জন মানুষ ধারণ ক্ষমতার আধুনিক মিলনায়তন, প্রদর্শনী কেন্দ্র, ২টি সেমিনার কক্ষ, সংগঠনের সদস্যদের জন্য সুইমিংপুলসহ থাকছে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা।
হাতিরঝিলের বর্তমান ভবনটি ২টি বেইজমেন্টসহ ১৬ তলা বিশিষ্ট। ৪টি তলা ব্যবহার করে বিজিএমইএ। বাকি অংশ ২টি ব্যাংকসহ কিছু প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করা। তবে আইনি জটিলতা থাকায় তাদের মালিকানা বুঝিয়ে দেয়া হয়নি।
বিজিএমইএ সভাপতি মোহম্মদ নাসির বলেন, বর্তমান ভবনে যেসব প্রতিষ্ঠানের জায়গা আছে, তাদের ক্ষতিপুরণ হিসেবে নতুন ভবনে জায়গা দেয়া হয়েছে। তারা সবাই বর্তমান ভবনটি ছাড়ার বিষয়টি জানে। সবাই মোটামুটি প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। তারপরও আমরা দুয়েক দিনের মধ্যে এবিষয়ে নোটিশ দিয়ে জানিয়ে দেব।
বিজিএমইএ ভবন ভাঙার ব্যাপারে জানতে চাইলে রাজউক চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান সম্প্রতি মিডিয়াকে জানান ‘উচ্চ আদালত যে নির্দেশ দিয়েছেন, সে অনুযায়ী যা যা করণীয় তা করা হবে।’
তথ্যসূত্র : প্রথম আলো

Comments