ফিচার
![]() |
| ছবি : এই সময় |
হিমাংশু দেব বর্মণ :
বাংলার আবাদী মাঠে সচরাচর দেখা যায় না হালের লাঙল। কলের লাঙলের প্রচলন শুরু হওয়াতে হালের লাঙল দিয়ে এখন আর চাষের কাজ করা হয় না। এতে সময় এবং শ্রম দুই-ই বাঁচে। তারপরও বড় কলের লাঙল বা ট্রাক্টর দিয়ে চষা জমির মাটি বেশি উর্বর হয়। লাঙলের ফলার চেয়ে ট্রক্টরের ফলাগুলো মাটির গভীরে প্রবেশ করতে পারে। সব দিক হিসেব করেই দেখা গেছে আধুনিক পদ্ধতির কলের লাঙলই আমাদের চাষের জন্য উৎকৃষ্ট ব্যবস্থা।
আবার কিছু কিছু সময় আছে, যখন কলের লাঙল দিয়ে কাজ করা সম্ভব হয় না। তখন অবশ্যই জোড়া গরু দিয়ে চালানো হালের লাঙলই চাষির একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়ায়।
এখন বৈশাখ মাস। কৃষক পল্লীতে চলছে ধান কাটার আয়োজন। কয়েকদিন পরেই কৃষক মাঠে নেমে যাবে ধান কাটতে। এখন চলছে তার চূড়ান্ত প্রস্তুতি। এর ফাঁকে রয়েছে পাটের জমিতে নিড়ানি দেয়া। অসময়ে ঘন বর্ষার কারণে কোন কোন জমিতে পাটের চারা অনেক ফাঁকা হয়েছে। সেসব জমিতে আবার চাষ দিয়ে নতুন করে বোনা হবে পাটের বীজ। ধানের জমি পেরিয়ে সেখানে কলের লাঙল নিয়ে যাওয়া সম্ভব না দেখে হালের লাঙল দিয়েই চাষ করছেন তারা।
আজ সকালে চলতে পথে দেখা গেল এক কৃষক তার পাটের জমিতে লাঙল দিয়ে চাষ দিচ্ছেন। তার সঙ্গে কথা বলে জানলাম এবং নিজেও দেখলাম, পাটের চারাগুলো অনেক ফাঁকা হয়ে গেছে। জানতে চাইলে উনি বললেন চৈত্রের মাঝামাঝি সময়ে এ জমিতে পাট বুনেছিলেন তিনি। জমিটির চার পাশেরই রয়েছে ধানের আবাদ। সেখানে কলের লাঙল নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। তাই তখনও তিনি হালের লাঙল দিয়ে চষেই পাট বুনেছিলেন।
জমিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে চারা না থাকায় তিনি ফের চষে পাটের বীজ বুনবেন। আর এই আপদকালীন সময়ের জন্য নিজস্ব কলের লাঙল থাকতেও তিনি হালের লাঙল নষ্ট হতে দেননি। বরং যত্ন করে রেখে দিয়েছেন।
আবার কিছু কিছু সময় আছে, যখন কলের লাঙল দিয়ে কাজ করা সম্ভব হয় না। তখন অবশ্যই জোড়া গরু দিয়ে চালানো হালের লাঙলই চাষির একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়ায়।
এখন বৈশাখ মাস। কৃষক পল্লীতে চলছে ধান কাটার আয়োজন। কয়েকদিন পরেই কৃষক মাঠে নেমে যাবে ধান কাটতে। এখন চলছে তার চূড়ান্ত প্রস্তুতি। এর ফাঁকে রয়েছে পাটের জমিতে নিড়ানি দেয়া। অসময়ে ঘন বর্ষার কারণে কোন কোন জমিতে পাটের চারা অনেক ফাঁকা হয়েছে। সেসব জমিতে আবার চাষ দিয়ে নতুন করে বোনা হবে পাটের বীজ। ধানের জমি পেরিয়ে সেখানে কলের লাঙল নিয়ে যাওয়া সম্ভব না দেখে হালের লাঙল দিয়েই চাষ করছেন তারা।
আজ সকালে চলতে পথে দেখা গেল এক কৃষক তার পাটের জমিতে লাঙল দিয়ে চাষ দিচ্ছেন। তার সঙ্গে কথা বলে জানলাম এবং নিজেও দেখলাম, পাটের চারাগুলো অনেক ফাঁকা হয়ে গেছে। জানতে চাইলে উনি বললেন চৈত্রের মাঝামাঝি সময়ে এ জমিতে পাট বুনেছিলেন তিনি। জমিটির চার পাশেরই রয়েছে ধানের আবাদ। সেখানে কলের লাঙল নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। তাই তখনও তিনি হালের লাঙল দিয়ে চষেই পাট বুনেছিলেন।
জমিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে চারা না থাকায় তিনি ফের চষে পাটের বীজ বুনবেন। আর এই আপদকালীন সময়ের জন্য নিজস্ব কলের লাঙল থাকতেও তিনি হালের লাঙল নষ্ট হতে দেননি। বরং যত্ন করে রেখে দিয়েছেন।

Comments
Post a Comment