দেশের খবর
মাগুরা প্রতিনিধি:
মাগুরা সদরে কেচুয়াডুবি গ্রামে গোপালজিউ আশ্রম। এখানে প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয় বারুণী মেলা। গত কয়েক বছর আগেও এ দিনে এখানে লক্ষাধিক লোকের সমাগম দেখা গেছে। অথচ এ বছরের বারুণী মেলায় সে হারে লোকজনের তেমন ভিড় দেখা যায়নি। দোকান পাটগুলো ছিল ফাঁকা। মেলার আয়তন আগের তুলনায় কম হলেও লোকের ভিড় একমদই ছিল না।
দুপুর আড়াইটার দিকে মেলাতে গিয়ে দেখা গেছে অন্য বছরের তুলনায় এ বছরে মেলা একদম জমেনি। অন্য বছর লোকের ভিড়ে মেলায় ঢোকা যায় না। গরমে দম বন্ধ হয়ে আসে। কিন্তু এ বছর মেলার মধ্যে বাতাস ছিল স্বাভাবিক। তেমন গরম অনুভ‚ত হয়নি।
মেলায় বসা দোকান মালিকদের কাছে জানতে চাইলে তারা বললেন, সকাল থেকে লোকের ভিড় এমনই। বেচাকেনাও নেই। দেখেন, দোকান একদম ফাঁকা। যেখানে অন্য বছরগুলোতে সন্ধ্যা পর্যন্ত থাকে লোকে ভরপুর।
মাগুরা প্রতিনিধি:মাগুরা সদরে কেচুয়াডুবি গ্রামে গোপালজিউ আশ্রম। এখানে প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয় বারুণী মেলা। গত কয়েক বছর আগেও এ দিনে এখানে লক্ষাধিক লোকের সমাগম দেখা গেছে। অথচ এ বছরের বারুণী মেলায় সে হারে লোকজনের তেমন ভিড় দেখা যায়নি। দোকান পাটগুলো ছিল ফাঁকা। মেলার আয়তন আগের তুলনায় কম হলেও লোকের ভিড় একমদই ছিল না।
দুপুর আড়াইটার দিকে মেলাতে গিয়ে দেখা গেছে অন্য বছরের তুলনায় এ বছরে মেলা একদম জমেনি। অন্য বছর লোকের ভিড়ে মেলায় ঢোকা যায় না। গরমে দম বন্ধ হয়ে আসে। কিন্তু এ বছর মেলার মধ্যে বাতাস ছিল স্বাভাবিক। তেমন গরম অনুভ‚ত হয়নি।
মেলায় বসা দোকান মালিকদের কাছে জানতে চাইলে তারা বললেন, সকাল থেকে লোকের ভিড় এমনই। বেচাকেনাও নেই। দেখেন, দোকান একদম ফাঁকা। যেখানে অন্য বছরগুলোতে সন্ধ্যা পর্যন্ত থাকে লোকে ভরপুর।
Comments
Post a Comment