জাতীয়
হিমাংশু দেব বর্মণ
![]() |
| চলছে হাটে মজুর কেনাবেচা |
আজ এতিহাসিক মে দিবস। যা আসলে শ্রমিক দিবস হিসিবেই পরিচিত। ১৮৮৬ সালের এই দিনে ন্যায্য পাওনা আর দৈনিক ৮ ঘণ্টা কাজের দাবিতে শ্রমিকরা ধর্মঘট করেছিল।
তখনকার দিনে শ্রমিকরা দৈনিক ১৬ ঘণ্টা কাজ করত। এভাবে অধিক সময় ধরে কাজ করে শ্রমিক বা চাকরিজীবিরা অতি ক্লান্ত হয়ে পড়ছিল। শিশু শ্রমিকদের দেহ হয়ে যাচ্ছিল কঙ্কালসার। তারপরও তাদের মজুরি বা বেতন ছিল অনেক কস। এভাবে এক সময় শ্রমিকরা প্রতিবাদে ফুঁসে উঠল। ১৮৮৬ সালের ১লা মে হে মার্কেটের সামনে আন্দোলনের ডাক দিয়েছিল শ্রমিক নেতারা। সে আন্দোলনে শ্রমিকদের দমন করতে পুলিশ এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে হত্যা করেছিল ১১ শ্রমিককে। আরো বন্দি করেছিল অগণিত শ্রমিকদের। কারাগারে বন্দি থাকাকালে ১ জন শ্রমিক আত্মহত্যা করেছিলেন।
এ নিয়ে মোট ১২ শ্রমিকের মৃত্যু হয় এ দিনে। এ ঘটনার পরে শ্রমিকদের দাবি মেনে নেয় আমেরিকান সরকার।
পরবর্তীতে ১৮৮৯ সালের ১৪ জুলাই ফ্রান্স অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক শ্রমিক সম্মেলনে ১লা মে দিনটিকে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়। সেই থেকে ১লা মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। ভবিষ্যতেও তার কোন ব্যতিক্রম ঘটবে না।
সেদিনের সেই ৮ ঘণ্টা কাজের দাবি পুরণের সুবিধা সব মেহনতি মানুষেরই পাওয়ার কথা। শ্রমিকরা ৮ ঘণ্টা কাজ করছেন বটে। আবার তার বেশি সময় ধরেও তারা কাজ করছে। তার জন্য যে বাড়তি বেতন তাদের পাওয়ার কথা তা তারা ঠিকমতো পাচ্ছে না। এটা জানা যায় সারাবিশ্বে চলমান শ্রমিক আন্দোলন দেখে।
এছাড়া রয়েছে কৃষকের লাঞ্ছনা। এখন চলছে ধান কাটার মৌসুম। কৃষি মজুরেরা এক জেলা থেকে অন্য জেলায় চলে যাচ্ছে মজুর খাটতে। তারা অবশ্য দিনান্ত পরিশ্রম করছে। কিন্তু যে চাষির ক্ষেতে তারা করছে সেই চাষি যে মূল্য তাদেরকে দিচ্ছেন, তা অবশ্যই ন্যয্য মূল্যের বেশি।
স্থানীয় মজুরেরাও প্রায় সেই ভিন জেলার মজুরদের মতোই মজুরি নিচ্ছে। বর্তমান প্রজন্মে একমাত্র কৃষকই ন্যয্য মূল্যের চেয়ে বেশি মূল্য দিয়ে থাকেন শ্রমিকদের। স্থানীয় মজুরেরা সকাল ৭ টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত ক্ষেতে কাজ করে। তাহলে তাদের কাজের সময় ৮ ঘণ্টাও হলো না। মাত্র ৬ ঘণ্টা কাজ করেই তারা নিচ্ছে ৮ ঘণ্টা শ্রমের মূল্য। এতে কৃষকরাই ঠকছেন।
আমি এ কথা বলে কৃষি মজৃরদের বিরোধীতা করছি না। কেবল কৃষক যে ঠকছেন সে কথাটাই বলতে চাইছি। আজকের এই আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসে কৃষক শ্রমিক সবারই উচিৎ কেউ যেন কারো দ্বারা না ঠকেন। মজুরের যেমন ন্যায্য পাওনাটা পাওয়ার অধিকার আছে, তেমনি কৃষকেরও মজুরের কাছে ৮ ঘণ্টা কাজ পাওয়ার বৈধ অধিকার রয়েছে। আসুন আমরা সবাই সবার ন্যায্য নেয়া ও দেয়ার ব্যাপারে সজাগ হতে চেষ্টা করি।
তখনকার দিনে শ্রমিকরা দৈনিক ১৬ ঘণ্টা কাজ করত। এভাবে অধিক সময় ধরে কাজ করে শ্রমিক বা চাকরিজীবিরা অতি ক্লান্ত হয়ে পড়ছিল। শিশু শ্রমিকদের দেহ হয়ে যাচ্ছিল কঙ্কালসার। তারপরও তাদের মজুরি বা বেতন ছিল অনেক কস। এভাবে এক সময় শ্রমিকরা প্রতিবাদে ফুঁসে উঠল। ১৮৮৬ সালের ১লা মে হে মার্কেটের সামনে আন্দোলনের ডাক দিয়েছিল শ্রমিক নেতারা। সে আন্দোলনে শ্রমিকদের দমন করতে পুলিশ এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে হত্যা করেছিল ১১ শ্রমিককে। আরো বন্দি করেছিল অগণিত শ্রমিকদের। কারাগারে বন্দি থাকাকালে ১ জন শ্রমিক আত্মহত্যা করেছিলেন।
এ নিয়ে মোট ১২ শ্রমিকের মৃত্যু হয় এ দিনে। এ ঘটনার পরে শ্রমিকদের দাবি মেনে নেয় আমেরিকান সরকার।
পরবর্তীতে ১৮৮৯ সালের ১৪ জুলাই ফ্রান্স অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক শ্রমিক সম্মেলনে ১লা মে দিনটিকে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়। সেই থেকে ১লা মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। ভবিষ্যতেও তার কোন ব্যতিক্রম ঘটবে না।
সেদিনের সেই ৮ ঘণ্টা কাজের দাবি পুরণের সুবিধা সব মেহনতি মানুষেরই পাওয়ার কথা। শ্রমিকরা ৮ ঘণ্টা কাজ করছেন বটে। আবার তার বেশি সময় ধরেও তারা কাজ করছে। তার জন্য যে বাড়তি বেতন তাদের পাওয়ার কথা তা তারা ঠিকমতো পাচ্ছে না। এটা জানা যায় সারাবিশ্বে চলমান শ্রমিক আন্দোলন দেখে।
এছাড়া রয়েছে কৃষকের লাঞ্ছনা। এখন চলছে ধান কাটার মৌসুম। কৃষি মজুরেরা এক জেলা থেকে অন্য জেলায় চলে যাচ্ছে মজুর খাটতে। তারা অবশ্য দিনান্ত পরিশ্রম করছে। কিন্তু যে চাষির ক্ষেতে তারা করছে সেই চাষি যে মূল্য তাদেরকে দিচ্ছেন, তা অবশ্যই ন্যয্য মূল্যের বেশি।
স্থানীয় মজুরেরাও প্রায় সেই ভিন জেলার মজুরদের মতোই মজুরি নিচ্ছে। বর্তমান প্রজন্মে একমাত্র কৃষকই ন্যয্য মূল্যের চেয়ে বেশি মূল্য দিয়ে থাকেন শ্রমিকদের। স্থানীয় মজুরেরা সকাল ৭ টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত ক্ষেতে কাজ করে। তাহলে তাদের কাজের সময় ৮ ঘণ্টাও হলো না। মাত্র ৬ ঘণ্টা কাজ করেই তারা নিচ্ছে ৮ ঘণ্টা শ্রমের মূল্য। এতে কৃষকরাই ঠকছেন।
আমি এ কথা বলে কৃষি মজৃরদের বিরোধীতা করছি না। কেবল কৃষক যে ঠকছেন সে কথাটাই বলতে চাইছি। আজকের এই আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসে কৃষক শ্রমিক সবারই উচিৎ কেউ যেন কারো দ্বারা না ঠকেন। মজুরের যেমন ন্যায্য পাওনাটা পাওয়ার অধিকার আছে, তেমনি কৃষকেরও মজুরের কাছে ৮ ঘণ্টা কাজ পাওয়ার বৈধ অধিকার রয়েছে। আসুন আমরা সবাই সবার ন্যায্য নেয়া ও দেয়ার ব্যাপারে সজাগ হতে চেষ্টা করি।

Comments
Post a Comment