ফিচার
![]() |
| ফলচাষি গোলাম আলী |
স্টাফ রিপোর্টার :
গ্রামের মানুষ গোলাম আলী। ২ বিঘা জমিতে তার লিচুর চাষ। মোট ৬৬টি লিচু গাছ তার বাগনে ফলে ফলে ভরে আছে। রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় দেখতে না চাইলেও চোখ পড়ে যায় লিচুর ভারে নুয়ে পড়া ডালের এই লিচু বাগানের দিকে। চোখ আর মন, এ দুটোর কোনটাই ফেরানো যায় না সেদিক থেকে। গালের জল তো নিজের অজান্তেই চলে আসে।বাগানে লিচু গাছের নিচে চেয়ার পেতে নিজে বসেন আর বসতে দেন অতিথিদেরকে। দক্ষিণ দিক থেকে আসা বাতাসে বসে ঝুলে থাকা থোকা থোকা লিচুর সৌন্দর্যটা যেন নান্দনিক উপভোগ্য। কিছু সময় তার বাগনে বসে থেকে ও ঘুরে বেড়ানোর সময়টুকুতে মনে হচ্ছিল আমি কোন পর্যটনকেন্দ্রে ভ্রমণ করছি।
গোলাম আলী জানান বছর দশেক আগে তিনি এ বাগনটি তৈরি করেন। বিগত বছরগুলোর তুলনায় এ বছরে অনেক বেশি লিচু ধরেছে। এরই মধ্যে লিচু পাকতে শুরু করেছে। তার বাগনে বেদানা জাতের লিচুগুলো বেশ বড় বড় হয়েছে। স্বাদেও অতুলনীয়। এ বছর তিনি লিচুতে অধিক পরিমাণে আয় করার সম্ভবনা আশা করছেন।
মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার দীঘলগ্রাম তার নিজ বাড়ির সাথে লাগোয়া এ লিচু বাগানটি। এই বেদানা জাত ছাড়াও আরো ৩ জাত মোট ৪ জাতের লিচু রয়েছে তার বাগানে।
গ্রামের মানুষ গোলাম আলী। ২ বিঘা জমিতে তার লিচুর চাষ। মোট ৬৬টি লিচু গাছ তার বাগনে ফলে ফলে ভরে আছে। রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় দেখতে না চাইলেও চোখ পড়ে যায় লিচুর ভারে নুয়ে পড়া ডালের এই লিচু বাগানের দিকে। চোখ আর মন, এ দুটোর কোনটাই ফেরানো যায় না সেদিক থেকে। গালের জল তো নিজের অজান্তেই চলে আসে।বাগানে লিচু গাছের নিচে চেয়ার পেতে নিজে বসেন আর বসতে দেন অতিথিদেরকে। দক্ষিণ দিক থেকে আসা বাতাসে বসে ঝুলে থাকা থোকা থোকা লিচুর সৌন্দর্যটা যেন নান্দনিক উপভোগ্য। কিছু সময় তার বাগনে বসে থেকে ও ঘুরে বেড়ানোর সময়টুকুতে মনে হচ্ছিল আমি কোন পর্যটনকেন্দ্রে ভ্রমণ করছি।
গোলাম আলী জানান বছর দশেক আগে তিনি এ বাগনটি তৈরি করেন। বিগত বছরগুলোর তুলনায় এ বছরে অনেক বেশি লিচু ধরেছে। এরই মধ্যে লিচু পাকতে শুরু করেছে। তার বাগনে বেদানা জাতের লিচুগুলো বেশ বড় বড় হয়েছে। স্বাদেও অতুলনীয়। এ বছর তিনি লিচুতে অধিক পরিমাণে আয় করার সম্ভবনা আশা করছেন।
মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার দীঘলগ্রাম তার নিজ বাড়ির সাথে লাগোয়া এ লিচু বাগানটি। এই বেদানা জাত ছাড়াও আরো ৩ জাত মোট ৪ জাতের লিচু রয়েছে তার বাগানে।

Comments
Post a Comment