জাতীয়
স্টাফ রিপোর্টার :
আজ শুক্রবার বেলা ১১টার পর থেকে উপপকুলীয় এলাকার আবহাওয়া পরিস্থিতির অবনতি হতে শুরু করেছে। খুলনা জেলার উপকুলীয় উপজেলা দাকোপ ও কয়রা এলাকায় এ পরিবেশ দেখা যাচ্ছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘুর্ণী ঝড় ‘ফণী’র প্রভাবে জোয়ারের জলের উচ্চতা বেড়ে কয়েক ফুট স্বাভাবিক উচ্চতার চেয়ে।
এর ফলে কয়রা উপজেলার কিছু জায়গায় বেড়ি বাঁধের ওপর দিয়ে নোনা জল ঢুকে পড়ছে লোকালয়ে। স্থানীয় লোকজন স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁধ আটকে জল ঠেকানোর চেষ্টা চালাচ্ছে।
খুলনা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে হতকাল থেকেই আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য এলাকাবাসীকে নির্দেশ দেয়া হচ্ছে। জেলার সর্বশেষ জনবসতি এলাকার লোকজন বেদকাশি এলাকার ৯টি আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়ে জড়ো হতে শুরু করেছে।
ওই এলাকায় সব ধরণের ক্ষয় ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে উপজেলা ও জেলা প্রশাসন।
‘ফণী’ ঘুর্ণী ঝড়টি এখন পর্যন্ত মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থান করছে। আজ মধ্যরাত পর্যন্ত তা খুলনার উপকূল এলাকা অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে।
এর ফলে কয়রা উপজেলার কিছু জায়গায় বেড়ি বাঁধের ওপর দিয়ে নোনা জল ঢুকে পড়ছে লোকালয়ে। স্থানীয় লোকজন স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁধ আটকে জল ঠেকানোর চেষ্টা চালাচ্ছে।
খুলনা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে হতকাল থেকেই আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য এলাকাবাসীকে নির্দেশ দেয়া হচ্ছে। জেলার সর্বশেষ জনবসতি এলাকার লোকজন বেদকাশি এলাকার ৯টি আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়ে জড়ো হতে শুরু করেছে।
ওই এলাকায় সব ধরণের ক্ষয় ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে উপজেলা ও জেলা প্রশাসন।
‘ফণী’ ঘুর্ণী ঝড়টি এখন পর্যন্ত মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থান করছে। আজ মধ্যরাত পর্যন্ত তা খুলনার উপকূল এলাকা অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে।

Comments
Post a Comment