দেশের খবর
![]() |
| ফটকী নদীতে আড়বাঁধ |
এই সময় ডেস্ক :
মাগুরা জেলার সদর ও শালিখা উপজেলার সীমান্তবাহী ফটকী নদীতে অসংখ্য আড়বাঁধের কারণে মাছের স্বাভাবিক চলাচল ব্যহত হচ্ছে। নদীর উজান বাঁকে ঘুরে দেখা গেছে নদীর এপার ওপার বন্ধ করে দেয়া হয়েছে এসব আড়বাঁধ দিয়ে।
মাছ উৎপাদনের জন্য বৈশাখ থেকে শ্রাবণ মাস পর্যন্ত মুক্ত জলাশয়ে বদ্ধ মৌসুম ঘোষণা করা হয়েছে। এ সময়ে মুক্ত জলাশয় থেকে যেকোন উপায়ে মা মাছ ধরা নিষেধ। তারপরও অবাদে চলছে মা মাছ নিধনের এসব প্রক্রিয়া।
শালিখার সদর আড়পাড়া থেকে উজান দিকে চুকিনগর ও ভাটোয়াইল গ্রামের বাঁকে দুটি মাছের অভয়াশ্রম রয়েছে। শুকনো মৌসুমে এসব অভয়াশ্রম থেকে মাছের প্রজনন, ডিম থেকে পোনা উৎপাদনের মাধ্যমে মাছের বংশ বিস্তার ঘটে। জোয়ার ভাটায় জল ওঠানামার সাথে সাথে মাছগুলো সেখান থেকে সারা নদীতে ছোটাছুটি করে বেড়াতে পারে না এসব অবৈধ আড়বাঁধের কারণে।
তাছাড়া এতে ঘন বানা ব্যবহারের করণে অপক্ষোকৃত ছোট মাছ বা চারা পোনাগুলো ধরা পড়ে যায়। এতে মাছের পরিমাণ চাহিদানুরূপ বাড়তে পারছে না। মুক্ত জলাশয়ের মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য ফটকীসহ আড়বাঁধ থাকা সমস্ত নদীগুলোতেই ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইনী অভিযান অতি জরুরী হয়ে পড়েছে বলে এলাকাবসী মন্তব্য করেন।
মাছ উৎপাদনের জন্য বৈশাখ থেকে শ্রাবণ মাস পর্যন্ত মুক্ত জলাশয়ে বদ্ধ মৌসুম ঘোষণা করা হয়েছে। এ সময়ে মুক্ত জলাশয় থেকে যেকোন উপায়ে মা মাছ ধরা নিষেধ। তারপরও অবাদে চলছে মা মাছ নিধনের এসব প্রক্রিয়া।
শালিখার সদর আড়পাড়া থেকে উজান দিকে চুকিনগর ও ভাটোয়াইল গ্রামের বাঁকে দুটি মাছের অভয়াশ্রম রয়েছে। শুকনো মৌসুমে এসব অভয়াশ্রম থেকে মাছের প্রজনন, ডিম থেকে পোনা উৎপাদনের মাধ্যমে মাছের বংশ বিস্তার ঘটে। জোয়ার ভাটায় জল ওঠানামার সাথে সাথে মাছগুলো সেখান থেকে সারা নদীতে ছোটাছুটি করে বেড়াতে পারে না এসব অবৈধ আড়বাঁধের কারণে।
তাছাড়া এতে ঘন বানা ব্যবহারের করণে অপক্ষোকৃত ছোট মাছ বা চারা পোনাগুলো ধরা পড়ে যায়। এতে মাছের পরিমাণ চাহিদানুরূপ বাড়তে পারছে না। মুক্ত জলাশয়ের মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য ফটকীসহ আড়বাঁধ থাকা সমস্ত নদীগুলোতেই ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইনী অভিযান অতি জরুরী হয়ে পড়েছে বলে এলাকাবসী মন্তব্য করেন।

Comments
Post a Comment